• ৭ ফাল্গুন ১৪৩২, সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

New Guidelines

দেশ

১৮-র অনূর্ধ্বদের দেওয়া যাবে না রেমডেসিভির, মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

অ্যান্টি ভাইরাল বা মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি দেওয়া যাবে না অনূর্ধ্ব ১৮-দের। বাদ দেওয়া হয়েছে রেমডেসিভির। নয়া নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক। এ ছাড়া অনূর্ধ্ব আঠারোদের করোনার কী কী উপসর্গ দেখা যেতে পারে, তা-ও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়। সেখানে বলা হয়েছে, এই বয়সিদের জ্বর, সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, শরীরে ব্যথা, দুর্বলতা, ডায়েরিয়ার মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।কেন্দ্রীয় নির্দেশিকায় শিশুদের শারীরিক অবস্থাকে উপসর্গের প্রকৃতি অনুযায়ী উপসর্গহীন, মৃদু, মাঝারি ও প্রবল এই চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। উপসর্গহীন ও মৃদু উপসর্গের ক্ষেত্রে বাড়িতে বা কোভিড কেয়ার সেন্টারে বাচ্চাকে রাখা যাবে। তবে দেহের তাপমাত্রা ও রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ নিয়মিত মেপে যেতে হবে। মাঝারি ও প্রবল উপসর্গের ক্ষেত্রে কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করানো আবশ্যিক।নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, পাঁচ বছরের কম বয়স হলে শিশুর মাস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। ছয় থেকে ১১ বছর বয়স্কদের প্রয়োজনমাফিক মাস্ক পরানো যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে তাঁদের শারীরিক সমস্যা না হয়। ১২ বছর ও তার ঊর্ধ্বের বাচ্চারা প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই সব সময় মাস্ক ব্যবহার করবে। পাশাপাশি সাধারণ কোভিড বিধি, যেমন বার বার হাত ধোয়া ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা এ সব মেনে চলতে হবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
দেশ

রেমডিসিভিরে বিপদ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা, নয়া নির্দেশিকায় সতর্কতা কেন্দ্রের

করোনা আবহে ফের একবার একগুচ্ছ নির্দেশিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র। করোনা রোগীদের উপর রেমডিসিভির ব্যবহার নিয়ে আগেই নিয়ন্ত্রণের কথা জানানো হয়েছিল। এবার স্টেরয়েড ব্যবহারে লাগাম টানা থেকে রেমডিসিভিরের নিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ, কোভিড চিকিৎসায় এক গুচ্ছ বদলের কথা বলা হল কেন্দ্রের কোভিড সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকায়।কোভিড চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে বলে অভিমত কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ দলের। উচ্চ মাত্রার স্টেরয়েড প্রয়োজনের তুলনায় বেশি দিন ব্যবহৃত হলে বেড়ে যায় মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাংগাসে জাতীয় সংক্রমণের আশঙ্কা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর লোকসভায় দেওয়া তথ্য অনুসারে গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে মোট ৫১৭৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন ব্ল্যাক ফাংগাসে। তাই সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েই এই নয়া নির্দেশ বলে ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলে।উল্লেখ্য গত সপ্তাহেই সাংবাদিক সম্মেলনে কোভিড চিকিৎসায় স্টেরয়েডের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে সতর্কতার বার্তা দিয়েছিলেন নীতি আয়োগের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পাল। এ দিনের নির্দেশিকায় সাফ জানানো হয়েছে মধ্যম ও মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেই ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে দেওয়া স্টেরয়েডের। স্টেরয়েড ছাড়াও রেমডিসিভিরের ব্যবহার নিয়েও মিলেছে সতর্কতার বার্তা। নতুন নির্দেশিকা অনুসারে যে রোগীদের অন্তত দশ দিন ধরে কোভিড উপসর্গ রয়েছে এবং অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে কেবল তাঁদের ক্ষেত্রেই ভাবা যেতে পারে এই ওষুধ ব্যবহারের কথা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

কোভিড পরীক্ষা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের

কোভিড পরীক্ষা নিয়ে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। পাশাপাশি, কখন, কাদের নিভৃতবাস বা হাসপাতালে পাঠানো প্রয়োজন সে বিষয়েও বার্তা রয়েছে ওই নির্দেশিকায়।চলতি সপ্তাহেই ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর পরামর্শে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক কোভিড পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল। তারই সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যের এই নির্দেশিকা। এতে জানানো হয়েছে, করোনার উপসর্গ রয়েছে এমন সকলেরই পরীক্ষা করানো জরুরি।৬০ বছরের বেশি বয়সি এবং ঝুঁকিপূর্ণ রোগে আক্রান্তেরা যদি কোভিড রোগীর সংস্পর্শে এলে তাঁদের উপসর্গ না থাকলেও পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, ক্যানসার, হাইপারটেনশন, ফুসফুস-লিভার-কিডনির সমস্যা, স্থূলত্ব জনিত সমস্যাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিভৃতবাস সংক্রান্ত নির্দেশিকা মেনে যাঁরা বাইরে বেরোবেন তাঁদের আর পরীক্ষার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর।করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের বিপজ্জনক লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে টানা ৭ দিনের বেশি জ্বর, শ্বাসকষ্ট, প্রচণ্ড কাশি, ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়া, বুকে ব্যথা বা ধড়ফড় করা আচ্ছন্নভাব বা অস্থিরতার মতো উপসর্গ। এর সঙ্গে সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০-র কম, অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪ শতাংশের কম শ্বাসপ্রশ্বাসের হার মিনিটে ২৪-এর বেশির মতো সমস্যা থাকলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।উপসর্গহীন এবং মৃদু উপসর্গ রয়েছে এমন করোনা রোগীদের বাড়িতে নিভৃতবাসে থাকার কথা বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। মৃদু উপসর্গের তালিকায় রয়েছে, শুকনো কাশি, নাক বন্ধ হওয়া, গলা ব্যথা, জ্বর, ডায়ারিয়া, দুর্বলতা, স্বাদ-গন্ধ হারানো। সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০-র সামান্য বেশি কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের হার মিনিটে ২৪-এর কম হলেও তা পড়বে মৃদু উপসর্গের তালিকায়। কোমর্বিডিটি আছে এমন ব্যক্তিদের বিশেষভাবে বাড়িতে নিভৃতবাস পর্বে সতর্ক থাকার কথাও বলা হয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন নির্দেশিকায়।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

DDMA Guidelines: দিল্লিতে বন্ধ সব বেসরকারি অফিস, জারি ওয়ার্ক ফ্রম হোম-এর নয়া নির্দেশিকা

প্রতিদিন রাজধানীতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে সামগ্রিক লকডাউনের পথে না গিয়েও ক্রমশ কড়াকড়ির পথে হাঁটছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার। ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে দিল্লির করোনা পরিস্থিতি। এই পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধে আরও কিছুটা লাগাম টানল দিল্লি ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি বা ডিডিএমএ। মঙ্গলবার একটি নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করেছে ডিডিএমএ। সেখানে বলা হয়েছে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত যে সমস্ত অফিস রয়েছে, সেগুলি বাদ দিয়ে আপাতত সমস্ত বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে রেস্তোরাঁ, বার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।Delhi Disaster Management Authority (DDMA) issues order regarding weekend curfew which is to be in force from 10 PM on Friday to 5 AM on Monday pic.twitter.com/7xXWbXXW4g ANI (@ANI) January 4, 2022ওমিক্রন-সংক্রমণ মোকাবিলায় সোমবারই বন্ধ হয়েছিল দিল্লির রেস্তরাঁ, হোটেলে বসে খাওয়াদাওয়া। বলা হয়েছিল, খাবার কিনে তা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খেতে হবে। চালু থাকবে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা। এতদিন ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে চালু ছিল সরকারি ও বেসরকারি অফিস। এ বার সেই নিয়মে বদল আনল ডিডিএমএ। নয়া নির্দেশিকায় সমস্ত বেসরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ওই সমস্ত অফিসের ১০০ শতাংশ কর্মী বাড়ি থেকে কাজ করবেন। প্রত্যাশিত ভাবেই জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলিকে এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?রাজধানী দিল্লিতে সোমবার ১৯ হাজারের বেশি নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। যা রবিবারের (২২,৭৫১) তুলনায় খানিকটা কম হলেও সামগ্রিক বিচারে প্রচুর। সোমবার রাজধানীতে সংক্রমণের হার ছিল ২৫ শতাংশ। যা গত ৫ মে-র পর সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ১৭ জন করোনা রোগীর মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি দিল্লি সরকার।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

New Guidelines: স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নয়া নির্দেশিকায় নিভৃতবাসের মেয়াদ কমে ৭ দিন, আর কী কী রয়েছে নির্দেশিকায় জেনে নিন

করোনার মৃদু উপসর্গ রয়েছে যাঁদের, তাঁদের বন্দিদশাও কাটতে পারে দ্রুত। বুধবার একটি নির্দেশিকায় নিভৃতবাসের নতুন নিয়ম জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাতে বলা হয়েছে, বাড়িতে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীরা সাত দিন পর নিভৃতবাস শেষ করতে পারেন। তবে শর্তসাপেক্ষে।দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির নতুন পর্বে মৃদু উপসর্গের রোগীর সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। তাঁদেরকে বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাল, একজন করোনা আক্রান্তের যদি পর পর তিনদিন জ্বর না আসে তবে রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার সাত দিন পর তাঁরা নিভৃতবাস থেকে বের হতে পারেন।এর আগে নিভৃতবাস থেকে বেরনোর আগেও কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নেগেটিভ রিপোর্ট নেওয়ার নিয়ম ছিল। এ ক্ষেত্রে নতুন করে পরীক্ষা করানোরও দরকার নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তবে নিভৃতবাস শেষ হলেও রোগীকে সব সময় মাস্ক পরে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।তবে এই নিয়ম শুধুমাত্র মৃদু উপসর্গের রোগী যাঁরা বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বিশ্বের একাধিক দেশেই সম্প্রতি আইসোলেশনের মেয়াদ কমানো হয়েছে। বিশেষত, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে যেহেতু আক্রান্তদের মধ্যে খুব ভয়ঙ্কর উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না, তাই এই আইসোলেশনের মেয়াদ কমানোর কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।বুধবার গাইডলাইন প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সেখানে বলা হয়েছে, করোনা পরীক্ষা হওয়ার দিন থেকে শুরু করে অন্তত ৭ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হবে আক্রান্তকে। যদি শেষ তিন দিন কোনও জ্বর না আসে, সে ক্ষেত্রে ৭ দিনেই আইসোলেশন শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ শেষ তিন দিনে জ্বর এলে আইসোলেশন জারি থাকবে। সেই সঙ্গে এও বলা হয়েছে, আইসোলেশন শেষ হওয়ার পর করোনা পরীক্ষা করার কোনও প্রয়োজন নেই।করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে, হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে। মাস্ক পরে থাকতে হবে, নিজের স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখতে হবে। তবে উপসর্গ না দেখা দিলে করোনা পরীক্ষা করার কোনও প্রয়োজন নেই বলে জানানো হয়েছে গাইডলাইনে।আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসি-গাইডলাইনে বলা হয়েছে, যদি কেউ করোনা আক্রান্ত হন সে ক্ষেত্রে ৫ দিন বাড়িতে থাকতে হবে। ৫ দিন পর যদি কোনও উপসর্গ না দেখা যায়, তাহলে বাড়ি থেকে বেরতে পারেন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় জ্বর না এলে ধরে নিতে হবে কোনও উপসর্গ নেই। তবে পরের পাঁচদিন মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।যদি কেউ কোনও করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসেন, তাহলে বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে ১০ দিন মাস্ক পরতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে ও পাঁচদিন পর করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। আর যদি ভ্যাকসিনের সাধারণ ডোজ নেওয়া থাকে বা, ভ্যাকসিন না নেওয়া থাকে, তাহলে পাঁচ দিন বাড়ি থেকে বেরনো যাবে না। পরের পাঁচ দিন বাড়ি থেকে বেরলেও মাস্ক পরে থাকতে হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

Omicron: কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত

কোভিডের বিপদ! বর্ষশেষের আনন্দে সতর্ক থাকুন। কী করবেন, কী করবেন না? স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলে দিয়েছেন, বর্ষশেষের আনন্দ ভুলে যান, শুধু কথা হোক কোভিড নিয়ে! আর চিকিৎসকরা সর্বদা বলে যাচ্ছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। প্রত্যেকেই ফিরেছেন বিদেশ থেকে। আপাতত তাঁরা প্রত্যেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।রাজ্যের ক্ষেত্রেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। কলকাতার ১০টি ওয়ার্ড হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যকর্তারা বলছেন, পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উল্লেখ্য, কত স্যাম্পেল পাঠানো হচ্ছে আর কত স্যাম্পেল পরীক্ষার পর পজিটিভ হয়ে আসছে? বৃহস্পতিবার দেখা গিয়েছে, ৬টি স্যাম্পেল পাঠানোর পর ৫টি পজিটিভ হয়ে এসেছে। কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত স্পষ্ট। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ধীরে ধীরে সরিয়ে ওমিক্রন তার থাবা বসাচ্ছে। কলকাতায় টেস্ট ও পজিটিভিটি রেটও সমান হারে বাড়ছে।ওমিক্রনের রাজ্যের তরফে বেশ কয়েকটি বিষয় কড়াভাবে নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তা।নির্দেশগুলো নিম্নরূপ1. সন্দেহভাজন হোম আইসোলেশন মানছেন কিনা, তা কড়া ভাবে নজর দিতে হবে।2. প্রয়োজনে জিও ট্যাগিংয়ের সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ।3. ওমিক্রন সংস্পর্শে আসা এলাকায় মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।4. নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন কলকাতা পুর এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে।5. সন্দেহভাজনেরা ফোন না ধরলে প্রয়োজনে বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।প্রাথমিকভাবে ঠিক রয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে ৩ জানুয়ারি থেকে কনটেইনমেন্ট জোনের দিকে হাঁটতে হবে। সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কলকাতার ১০ টি ওয়ার্ড- উত্তর থেকে দক্ষিণ ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় অস্বাভাবিক হারে কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
কলকাতা

Omicron: জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই ফের বন্ধ হতে পারে স্কুল, কমতে পারে লোকাল ট্রেন, ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা পরিস্থিতি যে ভাবে ফের অবনতির দিকে যাচ্ছে, তাতে আশঙ্কার মেঘ দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে, ফের নতুন করে কিছু বিধিনিষেধ জারি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন তিনি। পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে পুনরায় স্কুল বন্ধ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। বুধবার গঙ্গা সাগরে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।করোনা সংক্রমণ যদি বাড়ে, তাহলে আবার কিছুদিনের জন্য স্কুল- কলেজ বন্ধ করতে হবে। বুধবার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি মণীশ জৈনকে নির্দেশ দেন, করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তাতে খেয়াল রাখতে হবে। মমতা বলেন, থার্ড ওয়েভ আসছে। ওমিক্রনও হচ্ছে। এই সময় স্কুল, কলেজ খোলা রাখা যায় কি না, তা দেখতে হবে। সামনেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা আছে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকেও মমতা নির্দেশ দেন, করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে স্কুল-কলেজ চালু থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ দিন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ন স্বরূপ নিগমের কাছে করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য সচিব জানান, কলকাতা ও শহরতলিতে বাড়ছে সংক্রমণ। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেন যাতে কনটেনমেন্ট জোন বা মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করার পরিকল্পনা করা হয়। ৩ জানুয়ারি থেকে যাতে সেই সংক্রান্ত বিধি জারি করা যায়, সেই নির্দেশ দিয়েছেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী এ দিন আন্তর্জাতিক বিমানের যাত্রীদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন আন্তর্জাতিক বিমানে আসা যাত্রীদের থেকেই ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ। তাই সে ক্ষেত্রে কোভিড বিধিতে কোনও বদল আনা যেতে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক দিন ধরেই বন্ধ ছিল লোকাল ট্রেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় পরে চালু হয় লোকাল ট্রেন। এ দিন প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা কিছুটা কমানো যায়। পাশাপাশি, প্রয়োজনে অফিসগুলোতে উপস্থিতি ৫০ শতাংশ করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Fake Vaccination: রাজ্যে সরকারি অনুমতি ছাড়া করোনা টিকার ক্যাম্প নয়

কসবায় ধৃত দেবাঞ্জন দেবের কাণ্ড কারখানা রীতিমতো হতবাক করে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের। মানুষের জীবন নিয়ে যে কেউ এমন ছেলেখেলা করতেও পারেন, এটাই কার্যত কল্পনাতীত ছিল সকলের। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যজুড়ে টিকাকরণের জন্য এ বার নতুন এবং অনেকাংশে কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে নয়া নির্দেশ জারি করে সমস্ত সমস্ত জেলাগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারের অনুমতি ব্যতীত কোনও টিকাকরণ ক্যাম্পের আয়োজন করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপেরস্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে শনিবার একটি ৭ পাতার নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেই নির্দেশিকার প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনের অনুমতি ছাড়া কোনও টিকাদান শিবিরে আয়োজন করা যাবে না। কসবা কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি যাতে কোনওভাবেই এ রাজ্যে না ঘটে, বস্তুত তা নিশ্চিত করতে চাওয়া হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকার মাধ্যমে। বেসরকারিভাবে যদি কোনও সংস্থা ভ্যাকসিন ক্যাম্প করতে চায়, তবে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নিযুক্ত নোডাল অফিসারের কাছে স্পষ্ট করতে হবে কী ধরনের চুক্তির মাধ্যমে এই ক্যাম্প করা হচ্ছে। জেলার ক্ষেত্রে তা জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানাতে হবে।কসবা কাণ্ডে পুলিশের নাকের ডগায় ভুয়ো ক্যাম্প চললেও পুলিশ তা জানতে পারেনি। কারণ, রক্তদান শিবির বা এহেন জনস্বাস্থ্য কল্যাণমূলক কর্মসূচির জন্য পুলিশি অনুমতি লাগে না। এ বার টিকাকরণ শিবির করতে গেলে পুলিশের অনুমতিও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকায়। ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটাও উল্লেখ করতে হবে। একই সঙ্গে কোভিড টিকা কোথা থেকে এল তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে এই ক্যাম্পকে। পাশাপাশি প্রতিটি টিকা যাতে কো-উইন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্র

ভুয়ো টিকা (Fake Vaccine) নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। করোনার টিকা (Covid Vaccine) নিয়ে যাতে কোনও ধরনের জালিয়াতি না হয়, তার জন্য নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশও রাজ্যকে দিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে এক উচ্চ পর্যায়ের করোনা (Corona Virus) সংক্রান্ত বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে দেশের যে দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র থেকে ভুয়ো টিকার অভিযোগ ওঠে, তার জেরেই কেন্দ্রের তরফ থেকে আলাদা করে সতর্ক করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরাভুয়ো টিকার খবর দেশের যেকোনও রাজ্যের যেকোনও জায়গা থেকে এলেই কেন্দ্রকে যাতে অবিলম্বে এই বিষয়ে জানানো হয়, বৈঠকে সমস্ত রাজ্যগুলিকে সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়ালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ক্যাবিনেট সেক্রেটারির উপস্থিতিতে সমস্ত রাজ্যের চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে আমাদের করোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে। ভুয়ো টিকার খবর কোথা থেকে এসেছে তা জানা জরুরি। স্থানীয় জেলা প্রশাসন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে আমাদের তা জানালে প্রয়োজনমতো ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।আরও পড়ুনঃ করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়ভুয়ো টিকার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানালেও, পশ্চিমবঙ্গের ভুয়ো টিকার বিষয়ে তারা যে সরাসরি মাথা গলাতে চাইছে না, সেই বিষয়টি এদিন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের ভুয়ো টিকার ঘটনাকে তারা জনস্বাস্থ্য বিষয়ক নয়, বরং ফৌজদারি অপরাধ বলেই মনে করছে। সরকারি বা সরকার অনুমোদিত টিকাকরণ কেন্দ্র থেকে বা কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করার পরেও যদি কোনও ব্যক্তি ভুয়ো টিকা পান, তাহলে কেন্দ্র সরকার সেই বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ঘটনায় শুধুমাত্র ভুয়ো টিকাই নয়, টিকাকরণ কেন্দ্রটিরও সরকারি অনুমোদন ছিল না।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নয়া গাইডলাইন জারি স্বাস্থ্যদপ্তরের

করোনার সংক্রমণের মাঝেই গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠেছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের দাপট। ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রবেশ করেছে এই কালো ছত্রাক। এই সংক্রমণে কলকাতার শম্ভুনাথ হাসপাতালে প্রাণও হারিয়েছেন ৩২ বছরের যুবতী। আর এবার এই সংক্রমণ ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। বঙ্গবাসীকে সতর্ক করতে স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জারি করা হল নতুন গাইডলাইন।জানানো হয়েছে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ এড়াতে মাস্কের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যে সমস্ত এলাকা কিংবা নির্মাণস্থলে বেশি ধুলোবালি রয়েছে, সেসব জায়গায় বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। মাস্ক ছাড়া সেখানে যাওয়ার প্রশ্নই নেই। আবার বাগানে বা মাটি নিয়ে কাজ করলে, জুতো, লম্বা ঝুলের ট্রাউজার, ফুলহাতা শার্ট এবং গ্লাভস পরা জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ও ডায়াবেটিক রোগীদের শরীরেই কালো ছত্রাক বেশি করে হানা দিচ্ছে। তাই তাঁদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার দিকে নজর রাখতে হবে। স্টেরয়েড, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ ব্যবহারেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অতিমারি আবহেই দেশের একাধিক রাজ্যে কালো ছত্রাকের হানায় বেড়েছে উদ্বেগ। প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি বলে ঘোষণা করেছিল রাজস্থান সরকার। পরে একই পথে হাঁটে তেলঙ্গানাও। তারপরই দেখা যায়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও রাজ্যগুলিকে এই সংক্রমণকে মহামারির আওতায় ফেলারই নির্দেশিকা দেয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে শুক্রবার শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে মারা গিয়েছেন হরিদেবপুরের শম্পা চক্রবর্তী (৩২)। রাজ্যে এই প্রথমবার কেউ এই সংক্রমণে প্রাণ হারালেন। যা করোনা আবহে নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্যবাসীর।

মে ২২, ২০২১
রাজ্য

৬ মে থেকে রাজ্যে বন্ধ সব লোকাল ট্রেন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আগামিকাল থেকে বন্ধ লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। পরিবর্তন করা হল বাজার খোলা রাখার সময়েও। পরিবর্তন হচ্ছে ব্যাংক খোলার সময়ও। বুধবার শপথ গ্রহণের পরই রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর মুখ্যমন্ত্রী। শপথগ্রহণের পরই জানিয়ে দিয়েছিলেন, আপাতত করোনা মোকাবিলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। সে কথা মাথায় রেখেই এদিন একাধিক নতুন নির্দেশ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এখনই লকডাউনের পথে হাঁটলেন না মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করলেন: কাল থেকে বন্ধ রাজ্যের সমস্ত লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। বিমানযাত্রা ও দূরপাল্লার বাসযাত্রায় আরটিপিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। বিমানযাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করতে হবে। তবে রাজ্যে আসার পর ব়্যাপিড টেস্টে করোনা আক্রান্তের হদিশ পেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এর ব্যবস্থা করবে বিমানবন্দর। বাজার খোলার সময় পরিবর্তন করা হল। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১০টা, এবং বিকেল ৫টা থেকে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে বউবাজারের সোনার দোকান খোলা রাখার সময়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোনার দোকান দুপুর ১২টা থেকে ৩ পর্যন্ত খোলা থাকবে। ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত। সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মীর হাজিরা চালু। বেসরকারি অফিসে ওয়ার্ক ফ্রম হোমে জোর। কলকারখানা, নির্মাণ ক্ষেত্রে হাজিরা ৫০ শতাংশ করা হল। গ্রামে থাকা ২ লক্ষ ৭৫ হাজার কোয়াক চিকিৎসককে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে। যাতে তাঁরা কোভিড চিকিৎসা করতে পারেন। বন্ধই থাকছে রেস্তরাঁ, শপিং মল, জিম, সুইমিং পুল, বিউটি পার্লার, স্পা, পাব, বার। রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক সমস্ত জমায়েত নিষিদ্ধ। বিয়েবাড়িতে সর্বাধিক ৫০ জন অতিথি উপস্থিত থাকতে পারবেন। টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবহণকর্মী, সংবাদকর্মী ও হকারদের অগ্রাধিকার। প্রথম ডোজের চেয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ায় গুরুত্ব বেশি। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে সন্দেহ থাকলে মৃতের ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হবে। যার রিপোর্ট দু-তিনঘণ্টার মধ্যে মিলবে। ফলে মর্গে দেহ জমা থাকবে না। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় জোর দেওয়া হবে। অর্থ সাহায্যের জন্য রাজ্যে দুটি ফান্ড চালু করা হল।এদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে অক্সিজেন, টিকা বন্টন নিয়ে স্বচ্ছ নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রের কাছে ৫০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকাকরণেরও দাবি জানিয়েছেন । ১০ হাজার রেমডেসেভির এবং তার বিকল্প হিসেবে টোসিজুমাব-এর হাজারটি ভায়াল চাওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসেই কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মমতা।

মে ০৫, ২০২১
রাজ্য

টিকাকরণ নিয়ে রাজ্যগুলোকে একগুচ্ছ নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

দেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। দৈনন্দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে তিন লক্ষের গণ্ডি। এই পরিস্থিতিতে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সিদের প্রত্যেককেই এবার করোনার টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। আগামী ১ মে থেকে শুরু হচ্ছে তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ প্রক্রিয়া। তার আগে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র।দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ রুখতে সম্প্রতি ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সিদের টিকাকরণে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। যেহেতু এই পর্যায়ে টিকা নেবেন প্রচুর মানুষ, তাই কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, কীভাবে সুষ্ঠুভাবে টিকাকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে, তা ঠিক করতেই এদিন বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ এবং করোনা সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির চেয়ারপার্সন ডঃ আরএস শর্মা। সেই বৈঠকের পরই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের।নির্দেশে বলা হয়েছে:১. বেসরকারি হাসপাতাল, বেসরকারি সংস্থা, বড় বড় সংস্থার সাহায্য নিয়ে যত বেশি সম্ভব করোনার টিকাকরণ কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। তাও আবার যত দ্রুত সম্ভব।২. কো-উইন অ্যাপে প্রত্যেকটি হাসপাতালকে তাঁদের কাছে কত ভ্যাকসিন রয়েছে তাঁর পরিমাণ এবং সেগুলোর দাম জানাতে হবে। রাজ্য প্রশাসনকে এ ব্যাপারে নজর রাখতে হবে।৩. যাঁরা ভ্যাকসিনের যোগ্য, কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট সময় ধার্য করতে হবে।৪. বাজার থেকে সরাসরি ভ্যাকসিন রাজ্যগুলো কিনবে কি না, সে ব্যাপারেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।৫. কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমেই যে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সিরা ভ্যাকসিন পাবেন, সেকথা জনসম্মুখে প্রচার করতে হবে।৬. টিকাকরণ কেন্দ্রের কর্মীদের সঠিকভাবে ট্রেনিং দিতে হবে।৭. যেহেতু প্রচুর মানুষ এবার টিকা নেবেন, তাই স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে টিকাকরণ কেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। যাতে টিকা নিতে যাওয়া মানুষজনকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়তে না হয়।এর পাশাপাশি নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে ডিআরডিও, সিএসআইআর এবং রেল-সহ বিভিন্ন সংস্থার সাহায্য নিয়ে আরও বেশি সংখ্যক অস্থায়ী কোভিড কেয়ার ইউনিট এবং কোভিড হাসপাতাল তৈরি করতে হবে। হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন, ওষুধ এবং টিকা রয়েছে কি না, সেদিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সমীকরণ, নির্বাচনের পরই খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয়

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জায়গায় আবার খুলতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ এর দলীয় কার্যালয়। ঢাকা সহ একাধিক জেলা ও উপজেলায় বন্ধ অফিস খুলে প্রবেশ করছেন নেতা কর্মীরা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ সময় পর কি আবার সক্রিয় হতে চলেছে দলটি এবং রাজনীতিতে নতুন করে ভূমিকা নিতে পারে কি না।নির্বাচনের পর তারেক রহমান এর নেতৃত্বে সরকার গঠন অনেককে চমকে দিয়েছে। এর মধ্যেই আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা এবং কর্মীদের তৎপরতা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। অনেকেই জানতে চাইছেন, কর্মীরা কি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অফিস খুলছেন, নাকি দলের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিরোধী শিবিরের সঙ্গে কোনও বোঝাপড়া রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।২০২৪ সালের অগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর মহম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয়। সেই কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি দলটি। এই সময় বহু দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরে শেখ মুজিবর রহমান এর ঐতিহাসিক বাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে।তবে নির্বাচন শেষ হতেই আওয়ামী লীগের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় কার্যালয় খুলে সেখানে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। কোথাও কোথাও আবার পাল্টা দখল ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা দলটি হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম জানিয়েছেন, দলের কার্যালয় বাজেয়াপ্ত করা হয়নি এবং নেতা কর্মীদের সেখানে যাতায়াতে কোনও বাধা নেই। তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এই আশাতেই তৃণমূলের কর্মীরা কার্যালয়ে ফিরছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিদেশে অবস্থান করেও শেখ হাসিনা বিভিন্ন মাধ্যমে দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং তাঁদের কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া কয়েকটি জেলার নেতা কর্মীদের দাবি, নির্বাচনের আগে স্থানীয়ভাবে সমর্থন পাওয়ার আশায় বিরোধী শিবিরের কিছু নেতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং নির্বাচনের পর কার্যালয় খোলার আশ্বাস দিয়েছিলেন।নির্বাচনের পরদিনই পঞ্চগড়ে একটি কার্যালয়ের তালা খোলার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসে এবং তা ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। গত এক সপ্তাহে চাঁদপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও খুলনা সহ একাধিক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কার্যালয়ে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

দলবদলের তকমা কি মুছবে, দীপেন্দুর প্রত্যাবর্তনে প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

খেলার মাঠ থেকে রাজনীতির ময়দান, দলবদলের বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না প্রাক্তন ফুটবলার ও রাজনীতিক দীপেন্দু বিশ্বাসকে। ভোটের আগে আবার তৃণমূল কংগ্রেস এ ফিরলেন বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন এই বিধায়ক। একসময় জাতীয় দলের ফুটবলার হিসেবে পরিচিত দীপেন্দু কলকাতার বড় ক্লাবগুলিতেও খেলেছেন। তিনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব, মোহনবাগান এবং মহামেডান স্পোর্টিং এর জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলেছেন এবং নব্বইয়ের দশকে ফুটবল মহলে পরিচিত মুখ ছিলেন।রাজনীতিতে প্রবেশের পরও দলবদলের অভিযোগ তাঁকে ঘিরে থেকেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে আবার পুরনো দলে ফিরে এলেন। রবিবার বসিরহাটে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে পুনরায় দলে যোগ দেন তিনি।দলে ফিরে দীপেন্দু বিশ্বাস জানান, অভিমান থেকেই তিনি দল ছেড়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তাঁকে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, দল যে দায়িত্ব দেবে সেটাই পালন করবেন এবং টিকিট নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।একই দিনে বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল কাদের সরদার সহ বিভিন্ন দল থেকে বহু কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।২০১৪ সালের উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অল্প ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন দীপেন্দু। সেই নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। পরে ২০১৬ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন তিনি। তবে ২০২১ সালে দল টিকিট না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে দলত্যাগ করেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে দলবদলের প্রবণতা নতুন নয়। ইতিমধ্যেই একাধিক নেতা পুরনো দলে ফিরতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র এবং শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কেও তৃণমূলের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে। ফলে ভোটের আগে দলবদলের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে। বিরোধীদের দাবি, ঘন ঘন দল পরিবর্তন রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে তুমুল গুলির লড়াই, যৌথ বাহিনীর অভিযানে খতম দুই জঙ্গি

রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় বড়সড় সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাল যৌথ বাহিনী। কিস্তওয়ার জেলার ছাতরু অঞ্চলে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এখনও এলাকায় তল্লাশি ও নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে।গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল, পার্বত্য এলাকার একটি মাটির বাড়ির ভিতরে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই যৌথ বাহিনী এলাকায় পৌঁছলে আড়াল থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াইয়ের পর দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে একে সাতচল্লিশ রাইফেল সহ একাধিক আধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে একজন জইশ ই মহম্মদ এর শীর্ষ কমান্ডার। তার পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে ছাতরু জঙ্গলে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, দশ দিনের লড়াই শেষে প্রাণ গেল যুব ইঞ্জিনিয়ারের

নাইট ডিউটিতে যাওয়ার পথে গণপ্রহারের শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন এক যুব ইঞ্জিনিয়ার। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী ব্লকের খাজরা গ্রাম পঞ্চায়েতের গিলাগেড়িয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম সৌম্যদীপ চন্দ, বয়স তেত্রিশ। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়াতেই পরিবার ও গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আট ফেব্রুয়ারি রাতে খড়গপুরে কাজে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত আনারকলি এলাকায় একদল মানুষ তাঁকে চোর সন্দেহে আটকায় এবং বেধড়ক মারধর করে। পরিবারের দাবি, তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা শোনা হয়নি এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়।গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে তাঁকে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত হাইটেক হাসপাতাল ভুবনেশ্বর এ স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় দশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শুক্রবার রাত দশটা চৌত্রিশ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে তাঁর দেহ গ্রামে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা।সৌম্যদীপের কাকা হরেকৃষ্ণ চন্দ জানান, হাসপাতালে গিয়ে তাঁর অবস্থা দেখে তাঁরা ভেঙে পড়েছিলেন। পরিবারের দাবি, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে গোপন বৈঠক, তৃণমূল বিজেপি যোগাযোগে বিস্ফোরক দাবি

রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের ঝড় তুললেন মৌসম বেনজির নূর। কংগ্রেসে ফিরে তিনি দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কংগ্রেস এর কিছু নেতা গোপনে ভারতীয় জনতা পার্টি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বোঝাপড়া রয়েছে এবং তিনি দলে থাকাকালীন টাকার লেনদেন ও ক্ষমতার রাজনীতির জন্য এমন যোগাযোগের ঘটনা দেখেছেন।একই দিনে প্রায় একই অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির রাজ্য নেতা ও উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু। তাঁর দাবি, মালদহের এক তৃণমূল বিধায়ক, জেলার দুই সহ সভাপতি, তিন সাধারণ সম্পাদক এবং আরও কয়েকজন নেতা বিজেপির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। গোপন বৈঠকের কথাও জানিয়েছেন তিনি।খগেন মুর্মুর বক্তব্য, এই তালিকায় জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরাও রয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি। তাঁর আশঙ্কা, নাম প্রকাশ পেলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বা সুযোগসন্ধানী নেতাদের বিজেপিতে জায়গা দেওয়া হবে না।অন্যদিকে মালদহ জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন চৈতালি সরকার এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তাঁর বক্তব্য, দলে কিছু নেতা রয়েছেন যারা শুধু অর্থ ও ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন এবং তারাই অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। নতুন জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মালদহ জেলা তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে। বিভিন্ন পদ না পেয়ে অনেক নেতা ক্ষুব্ধ বলেও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার অসুস্থ শরদ পওয়ার, চিন্তায় পরিবার ও সমর্থকরা

মহারাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিক শরদ পওয়ার আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রবিবার দ্রুত পুণের রুবি হল ক্লিনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত সপ্তাহেও একই হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।শরদ পওয়ারের মেয়ে ও বারামতীর সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে জানিয়েছেন, সর্দি, কাশি ও গলার সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।এর আগেও একটানা কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল প্রবীণ এই নেতাকে। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় বুকে সংক্রমণের কথা ধরা পড়ে। কয়েক দিন চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন এবং বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুণেতে নিজের বাড়িতে বিশ্রামে থাকলেও রবিবার আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যেও রয়েছেন শরদ পওয়ার। পারিবারিক শোক ও শারীরিক অসুস্থতার জেরে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচিও সীমিত রাখা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

বড় নির্দেশ হাইকোর্টের, এসআইআর ঘিরে রাজ্যের সব বিচারকের ছুটি বাতিল

এসআইআর সংক্রান্ত কাজ এবার বিচার বিভাগের তদারকিতেই হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত বিচারকের ছুটি বাতিল করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অসুস্থতা ছাড়া কোনও বিচারক ছুটি নিতে পারবেন না। এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে বড় দায়িত্ব বিচার বিভাগের উপর দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আগে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।এসআইআর-এর কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নিম্ন আদালতের কাজ স্বাভাবিক রাখতে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। হাইকোর্ট প্রত্যেক জেলায় জেলা বিচারক, জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারকে নিয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় আড়াইশো বিচারকের একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের তরফে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় একজন করে বিচার বিভাগীয় আধিকারিক চাওয়া হয়েছিল এবং সেই তালিকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঠিয়েছেন।জানা গিয়েছে, মাদক ও পকসো সংক্রান্ত আদালতের প্রায় একশো বিচারক এবং অন্যান্য মামলার দেড়শো বিচারকের নাম এই তালিকায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়েও শীঘ্রই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, বিশেষ পর্যবেক্ষক, পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, জেলা বিচারক বা অতিরিক্ত জেলা বিচারকদের বিচার বিভাগীয় আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করা যেতে পারে এবং তাঁদের কাজে কোনও বাধা বা অসম্মান বরদাস্ত করা হবে না। সব প্রশাসনিক স্তরকে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কাজে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

ভারতে বড় হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, দুই রাজ্য থেকে আট জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় সন্ত্রাসের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জঙ্গি যোগে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে মোট আট সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর মদতে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই ভারতে হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাদ, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছয় অভিযুক্তকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা থেকে আরও দুজনকে ধরা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতে বসবাস করছিল। তদন্তে জানা গেছে, বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা চলছিল এবং বিদেশ থেকে তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের পরবর্তী জেরা ও তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপ সমর্থনকারী অনলাইন পোস্ট নজরে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। এরপর তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ অভিযানে কারখানা থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ষোলোটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে গোটা চক্রের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।কয়েক দিন আগে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলক পোস্টার দেখা যায়। কাশ্মীর ইস্যু ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজক বার্তা লেখা ছিল ওই পোস্টারগুলিতে। সেই তদন্তে নেমেই তামিলনাড়ুর যোগসূত্র সামনে আসে এবং ধৃতদের জেরা করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal